সৈয়দ মোহাম্মদ কামালকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারের সন্তান কামালের মানবিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক অবদানের প্রশংসা
ষ্টাফ রিপোর্টার জামালপুরঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারের সন্তান সৈয়দ মোহাম্মদ কামালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল, সুধীসমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে তাঁর ও পরিবারের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বর্তমানে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক পরিচালক, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স। তিনি মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হযরত শাহ কামাল (রহ.)-এর বংশধর হিসেবে পরিচিত। চাকুরী এবং চেম্বার সূত্রে দেশের রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও সামাজিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের দীর্ঘদিনের পরিচিতি ও সুসম্পর্ক রয়েছে, যা কোন সরকার বা দলের সাথে জড়িত না ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল একজন নম্র, ভদ্র, সাদামাটা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে থাকেন। দল-মত নির্বিশেষে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরিতে তাঁর ইতিবাচক ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন পরিচিতজনেরা।
এদিকে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেক আইডি থেকে হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে আলোচনা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাঁদের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দায়িত্বশীলভাবে উপস্থাপন করা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে কারও ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের মতো একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী নেতা ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে কোনো ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার না চালিয়ে তাঁর কর্ম ও অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হোক। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে অপপ্রচারের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
তাঁরা আরও বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবার রয়েছে। তবে সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে কারও সম্মানহানি, পরিবারকে হেয়প্রতিপন্ন কিংবা সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা উচিত নয়। সত্যনিষ্ঠ সমালোচনা ও দায়িত্বশীল মতপ্রকাশের চর্চাই একটি সুস্থ সমাজের পরিচয়।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ও অপপ্রচারের পরিবর্তে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে মেলান্দহের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও সমৃদ্ধ হবে।
