1. jamalpurvoice2020@gmail.com : Editor : Zakiul Islam
  2. ullashtv@gmail.com : TheJamalpurVoice :
ঘুর্ণিঝড় মোখায় কক্সবাজার জেলায় ১০ হাজার কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত – Jamalpur Voice
সংবাদ :
জামালপুরে প্রকৌশলীকে পিটিয়ে দরপত্র ছিনতাই এর ঘটনায় অভিযোগ পত্র দাখিল বকশিগঞ্জে স্বামীর লিঙ্গ কর্তন স্ত্রী ও ভাগ্নে আটক দেওয়ানগঞ্জে ইউএনর নির্দেশে পল্লী বিদ্যুৎ এর দুই কর্মচারীকে বেঁধে রাখার অভিযোগ মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্র্যাক কর্মকর্তা নিহত অপসোনিন ফার্মা আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে বৃক্ষ বিতরণ জামালপুরে নাদিম হত্যার সাথে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মুশফিকুর রহমান জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত হয়েছেন সোহরাব হোসাইন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে গরু যাচ্ছে ঢাকায় কামালখান হাট ফাজিল ( ডিগ্রি) মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্য আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

ঘুর্ণিঝড় মোখায় কক্সবাজার জেলায় ১০ হাজার কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত

  • Update Time : Sunday, May 14, 2023
  • 16 Time View

ঘুর্ণিঝড় মোখার আঘাতে সেন্টমার্টিনসহ উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে এটি কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। ক্রমান্বয়ে বাতাসের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। দুপুরের দিকে মোখা তাণ্ডব চালায় সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ উপকূলে। বাতাসের তীব্রতা সন্ধ্যা নাগাদ চলে। তবে সাগরে মরা কাটাল থাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়নি।

রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান এক ব্রিফিংয়ে জানান, ঘুর্ণিঝড় মোখায় জেলায় ১০ হাজার কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। শুধু সেন্টমার্টিন দ্বীপেই এক হাজার ২০০ বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়। ঝড়ো হাওয়ায় সেন্টমার্টিনসহ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সাবরাং এলাকায় গাছপালা উপড়ে যায়। তবে মোখায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এটি একেবারেই প্রাথমিক হিসাব বলে জানান জেলা প্রশাসক।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ঘুর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কমতে শুরু করবে।

জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে দুই লাখ ৩০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আরো ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

কন্ট্রোল রুম সূত্রে আরো জানা যায়, কক্সবাজার জেলায় সিসিপির আট হাজার ৬০০ জন এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুই হাজার ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। সেন্টমার্টিনে নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশসহ ৩৭টি সরকারি স্থাপনা রয়েছে। সেখানের সরকারি স্থাপনাগুলো সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য ২০ লাখ নগদ টাকা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১০ লাখ টাকা উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে পাঁচ দশমিক ৯০ টন চাল, সাড়ে তিন টন টোস্ট বিস্কুট, তিন দশমিক চার টন শুকনা কেক, ১৯৪ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০ হাজার প্যাকেট ওরস্যালাইন ও ৪০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত রাখা হয়েছে। জেলায় যে ৬৩৬টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে সেগুলোতে পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার ৯৯০ জন মানুষ থাকতে পারবে।

শনিবার সকাল থেকেই মেডিক্যাল টিম, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী, পুলিশ, নৌ-পুলিশ, জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক দল, স্কাউট দল, আনসার বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থাকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বলা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

সম্পাদক: জাকিউল ইসলাম কর্তৃক জামালপুর থেকে প্রকাশিত। ইমেইল: jamalpurvoice2020@gmail.com

জামালপুর ভয়েজ ডট কম: সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
Customized BY NewsTheme