1. jamalpurvoice2020@gmail.com : Editor : Zakiul Islam
  2. ullashtv@gmail.com : TheJamalpurVoice :
জামালপুর সদরে ভোটারদের মুখে নৌকা অন্তরে অন্য মার্কা! – Jamalpur Voice
সংবাদ :
জামালপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত যশোর। ইসলামপুরে নানীর সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুইভাইয়ের মৃত্যু সরিষাবাড়ির প্রবীন আলেম মাওলানা আব্দুল বারী জামালী দাফন সম্পন্ন হাজরাবাড়ী পৌর বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল মেলান্দহে গাজা সহ গ্রেফতার -১ জামালপুর রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ প্রকল্পটি এখন শহরবাসীর গলার কাঁটা’ মেয়াদ পাঁচ দফায় বাড়লেও প্রকল্পের কাজ ছয় বছরেও শেষ হয়নি মেলান্দহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল দেশটিভির জামালপুরে জেলা সাংবাদিক মেহেদী হাসানের উপর সন্ত্রাসী হামলা জামালপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে হাসপাতাল সিলগালা

জামালপুর সদরে ভোটারদের মুখে নৌকা অন্তরে অন্য মার্কা!

  • Update Time : Saturday, January 6, 2024
  • 44 Time View

কাফি পারভেজ,জামালপুর প্রতিনিধি:

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুর-৫ সদর আসনে ১৮ দিনের প্রচারণার পুরোটা সময় ধরেই আলোচনা ছিল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং একে অপরের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা আলোচনা।
গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টায় নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হলেও জামালপুরের এ আসনে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা কমছে না। ফলে সাধারণ ভোটারা মনে করছেন ভোটের দিনও রয়েছে সংঘাতের আশঙ্কা।

জামালপুর-৫ সদর আসনে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে সমানতালে এগিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা এবং স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থীরা। নিবাচনী প্রচার প্রচারণা, পোস্টার ও ব্যানারে এগিয়ে থাকলেও নৌকার প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মহা টেনশনে আছেন । আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে নৌকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।

নৌকা পক্ষের লোক দেখলেই সাধারণ ভোটাদের মুখে নৌকা নৌকা স্লোগান দিলেও ভোটারদের হৃদয়ে আছে অন্য মার্কা। সাধারণ মানুষের অনেকেই বলছেন যেহেতু ধানের শীষের কোনো প্রার্থী নেই তাই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ নেই। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মূখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগে কার্যনির্বাহী সদস্য মো. রেজাউল করিম রেজনু। ফলে নৌকার প্রচার প্রচারণায় অংশ নিয়েও অনেকে অন্য প্রার্থীকে ভোট প্রদান করতে বলতেও শোনা যাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভোটার বলেন, নৌকা মার্কার প্রার্থীর প্রচার- প্রচারণায় বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে। আবার অনেকেই এসেছে কিছু টাকার আশায়, নৌকা মার্কার প্রচার- প্রচারণায় যোগ দিলেই কিছু পয়সা পাওয়া যাচ্ছে। কিছু টাকার আশায় মিছিল বা ভোট প্রার্থনা করলেও ভোটাররা কিন্তু মুখে বলছে নৌকা অন্তরে বা ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে অন্য কিছু ভাবনা রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলছেন ভোট প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক না হওয়ার কারণেই ভোট কেন্দ্রে বা ভোট প্রদানে কোনো আগ্রহ নেই। এই ধরনের পাতানো নির্বাচনকে মনে প্রাণে কেউ কেউ ঘৃণাও করছেন।

আবার সাধারণ অনেক মানুষ শান্তি চায়, চায় উন্নয়ন। তারা চায় নাগরিক অধিকার। কিন্তু কে নাগরিকদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারবেন সেটি নির্ধারণ করবে সাত জানুয়ারি ভোট প্রদানের মাধ্যমে। অনেক ভোটার বলছেন, যাকে দিয়ে এলাকার উন্নয়ন হবে, এমন সৎ, যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকেই এবার নির্বাচিত করতে চান ।

জামালপুর-৫ সদর আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকার প্রার্থী ক্যাডার ভাড়া করে এনেছেন এবং অবৈধ অস্ত্র মজুদ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা শঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভোটে ব্যাপক কারচুপি হতে পারে। এতে সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সরকারের যে অঙ্গীকার, তা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শনিবার দুপুরে জামালপুর-৫ সদর আসনের ঈগল প্রতীকের প্রার্থী এমন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আজম ও জামালপুর-৫ সদর আসনের নৌকার মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে তার নির্বাচিনী ক্যাম্প ভাংচুর, পুলিং এজেন্টসহ তার কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কর্মীদের উপর হামলা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঈগল প্রতীকের কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার হুমকি এবং প্রশাসনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জামালপুর ৫টি সংসদীয় আসনে ২৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। ইতিমধ্যে আজ দুপুরে জামালপুর-৪ (সরিষাবড়ি) আসন থেকে তৃণমুল বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম টুকন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন জেলায় যে ২৬ জন প্রার্থী রয়েছে তাদের মধ্যে নৌকা প্রতীকের ৫জন, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ৬জন এবং বাকিরা বিভিন্ন দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। রাত পোহলেই ভোট গ্রহন শুরু হবে। অন্য দলের প্রর্থীরা অনেকেই ভোট গ্রহন শুরুর পর ভোট বর্জন করবে বলেও শোনা যাচ্ছে।
তারা বলছেন, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হচ্ছে না কারণ প্রতিনিয়তই আওয়ামী লীগ বনাম স্বতন্ত্র আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়ে আসছে। নির্বাচনের ১৮দিনে বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী আচরণ ভঙ্গ হচ্ছে এমন অভিযোগ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও তিনি কোনো জোড়ালো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বলে অনেক প্রার্থী অভিযোগ করেছেন ।
জামালপুর রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শফিউর রহমান জানান, নির্বাচনী পরিবেশ এখনো অনেকটাই ভালো রয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় রকমের কোনো সমস্যা দেখা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

সম্পাদক: জাকিউল ইসলাম কর্তৃক জামালপুর থেকে প্রকাশিত। ইমেইল: jamalpurvoice2020@gmail.com

জামালপুর ভয়েজ ডট কম: সকল স্বত্ব সংরক্ষিত
Customized BY NewsTheme