উপজেলার সংবাদজামালপুরমেলান্দহ

নানান প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে মেলান্দহের নাংলা ইউনিয়নের চিত্র


মোঃ রুহুল আমিন রাজু,জামালপুরঃ জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের দরিদ্র, অসহায়, শ্রমজীবী মানুষের জন্য কাজের বিনিময়ে টাকা,খাদ্য (টি,আর,কাবিটা,কাবিখা) ইত্যাদি কাজের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ যেমন, রাস্তার মেরামত বা রাস্তা সংস্কার ও মাটি ভরাট,মাটি কাটার কাজ করায় ও চলমান থাকায় দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে মেলান্দহের নাংলা ইউনিয়নের চিত্র। একদিকে রাস্তার মাটি কেটে ভরাট করায় দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে অন্য দিকে দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে এবং জনগণের চলচলের সুবিধার জন্য রাস্তা নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, এতে করে জনগণের ভোগান্তি লাগব হচ্ছে। অন্য দিকে এই প্রকল্পের আওতায় সঠিকভাবে ও সময়মত কাজ করায় নাংলা ইউনিয়নের পুরো কাজের চিত্র পাল্টে দিয়েছে টি,আর,কাবিটা, কাজের আওতায় রাস্তা নির্মাণসহ দরিদ্র শ্রমজীবীদেরও। বর্তমানে মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের কাবিটা,টি,আর সহ নানান প্রকল্পের আওতায় কাজের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন এখন মেলান্দহ উপজেলার রোল মডেলে পরিনত হতে যাচ্ছে। তাই বলা যায় জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য টি,আর,কাবিটাসহ নানান প্রকল্পের আওতায় কাজের অগ্রগতি এখন রোল মডেলে পরিনত হয়েছে। এই জন্য একদিকে দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে উন্নয়ন হচ্ছে উপর দিকে সরকারের হতদরিদ্র পরিবারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তাদেরকে স্বাবলম্বী হওয়ার উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রতিটি রাস্তার উন্নয়নের কাজ এখন দৃশ্যমান করতে দেখা যাচ্ছে এবং চোখে নজর পড়ার মতো। নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের মানবিক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা প্রায় প্রতিটি রাস্তার প্রকল্পের উন্নয়নের কাজ ও শ্রমিকদের কাজের অগ্রগতি তদারকি করে যাচ্ছেন। এক কথায় নাংলা ইউনিয়ন এখন নানান প্রকল্পের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি বাস্তবায়ন এখন রোল মডেলে পরিনত হয়েছে।আশা করি যায় বাকী অন্য ১০টি ইউনিয়ন যদি এই নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশার মতো প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা যদি সঠিকভাবে কাজ করে ও সঠিকভাবে কাজের তদারকি করে তাহলেই সরকারের এই কাজের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের সঠিকভাবে হবে বলে এলাকার সচেতন মহল ও সচেতন মহল ও সচেতন মানুষেমানুষের আশাবাদী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম আলমগীর বলেন, মেলান্দহ উপজেলা টি,আর,কাবিটাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় কাজের অগ্রগতি দেখে এইসব কাজের মূল্যায়ন করা হবে এবং এইসব কাজের বিল দেওয়া হবে। তিনি আশাবাদী নাংলা ইউনিয়ন যেভাবে কাজ বাস্তবায়ন করেছেন বাকী ১০ টি ইউনিয়ন যেন সেইভাবেই কাজের বাস্তবায়ন করা হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখা হবে বলে তিনি আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *