নান্দিনা রেলস্টেশনে আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতির দাবি
ছাইদুর রহমান নান্দিনা: জামালপুর-ময়মনসিংহ রেল সেকশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন হচ্ছে নান্দিনা। এই রেল স্টেশনটি ১৯০৪ সনে নির্মিত হয়। এবং সেই থেকে ট্রেন চলাচল করে আসছে। আগের নান্দিনা এখন আর নেই। সব কিছুই বদলে গেছে। উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে।
শিক্ষা, খেলাধুলা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুনাম দেশব্যাপী ছড়িয়ে আছে। স্থানীয়ভাবে আজ অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এখানে মানুষ বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়েছে রেল যোগাযোগের চাহিদা।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্তে চলাচল করছে। সময় ও যুগের চাহিদা পূরণে সমগ্র নান্দিনা এলাকাবাসী এখানে জরুরি ভিত্তিতে একাধিক আন্ত:নগর ট্রেনের বিরতির দাবি জানিয়ে আসছেন।
এই দাবির অংশ হিসেবে ইতিপূর্বে বহুবার রেলের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। পরিশেষে এলাকাবাসী বাধ্য হয়েছেন আন্দোলনে মাঠে নামতে।
রোববার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় নান্দিনা রেল স্টেশনে এলাকার রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ছাত্র, শিক্ষকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন ও কিছুক্ষণের জন্য ট্রেন অবরোধ করে রাখেন।
পরিকল্পনা ছিল ঢাকা থেকে আন্ত:নগর ট্রেন তিস্তা আটকানোর। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি আশ্বাসে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন আন্দোলনকারীরা।
স্থানীয় আলহাজ্ব খলিলুর রহমান জানান, নান্দিনা রেল স্টেশনে একটি মাত্র আন্ত:নগর ব্রহ্মপুত্র ট্রেনের যাত্রা বিরতি রয়েছে। কিন্তু এই ব্রহ্মপুত্র ট্রেনটি যাত্রীদের চাহিদা মিটাতে পারছে না। প্রত্যেহ টিকিটের চেয়ে যাত্রী সংখ্যা ১০গুন বেশি। তাইতো আমরা নান্দিনায় আন্ত:নগর যমুনা, তিস্তা, অগ্মিবীণার যাত্রা বিরতির দাবি জানাচ্ছি।
এলাকার বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা নাজির হোসেন জানান, নান্দিনা রেল স্টেশনে আরো আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি চাই। আমাদের এই দাবি পূরণ করতেই হবে।
এলাকার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো: ফজলুল হক, আনোয়ার হোসেন মানিক, ফটিক ফকিরসহ বক্তাগণ বলেন, নান্দিনা রেল স্টেশন জামালপুর সদরের মধ্যে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন। সেই বৃটিশ আমল থেকে এই রেল স্টেশনের মাধ্যমে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী দেশের নানা প্রান্তে চলাচল করছে।
কিন্তু একটি মাত্র আন্ত:নগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস এই চাহিদা পৃরণ করতে পারছে না।
