জামালপুরে পূজা মন্ডপ গুলোতে সুন্দর ও আধুনিক প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত প্রতিমা শিল্পীরা
কাফি পারভেজ, স্টাফ রিপোর্টার:
জামালপুরে হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারর্দীয় দূর্গা পূজাঁয় মন্দিরের ঐতিহ্য ও সাজসজ্জা মাথায় রেখে প্রতিমার সাজসজ্জায়ও সেই ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলতে শিষ্য কারিগরদের নিয়ে প্রতিমা শিল্পীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। মায়ের মূর্ত্তিকে সুন্দর করে সাজাতে চেষ্টার যেন শেষ নেই প্রতিমা শিল্পীদের। মন্ডপগুলোতে সুন্দর ও আধুনিক প্রতিমা তৈরিতে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও অনেকে প্রতিমা শিল্পী নিয়ে এসেছেন।
এবার জামালপুর সদরসহ ৭টি উপজেলায় ১৮৯টি পূজাঁ মন্ডপে চলবে দূর্গাপূজাঁ। এর মধ্যে জামালপুর পৌর শহরে ২০টিসহ সদর উপজেলায় ৪৬টি, সরিষাবাড়িতে ৪৪টি, মাদারগঞ্জে ২৮টি, দেওয়ানগঞ্জে ২৩টি, ইসলামপুরে ১৫টি, বকশিগঞ্জে ১২টি এবং মেলান্দহে ২১টি পূজাঁ মন্ডপ স্থাপিত হয়েছে।
প্রতিমা শিল্পীরা জানায়, শহরের ৪৬ টি পূজাঁ মন্ডবে প্রতিমা নির্মাণের জন্য ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ থেকে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এসেছেন প্রতিমা শিল্পীরা। এসব শিল্পীদের পাশাপাশি কাজ করছেন স্থানীয় শিল্পীরাও। প্রতিমা তৈরির উপকরণ খড়, বাঁশ ও মাটিসহ আনুষাঙ্গিক উপকরণের দাম বাড়লেও বাড়েনি প্রতিমা শিল্পীদের মজুরি। পৈতৃক পেশা ধরে রাখতে এবং বিকল্প কারিগরি দক্ষতা না থাকায় লাভবান না হলেও এ পেশাতেই রয়ে গেছেন অনেকেই।
জেলা পূজাঁ উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রদীপ কুমার সোম রানু ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর রায় বলেন, এ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আশা করি শেষ পর্যন্ত ভালো থাকবে।
জামালপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি পূজার মন্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে। অরাজকতা বা নাশকতার কোনও সুযোগ নেই।
জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম বলেন, হিন্দু ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিসহ ছাত্র-জনতাকে অন্তর্ভুক্ত করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা পর্যবেক্ষণ করছে।
