মেলান্দহের চারাইলদারে বসতবাড়িতে আগুন পুড়ে ছাই প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মোঃ রুহুল আমিন রাজু ষ্টাফ রিপোর্টার জামালপুরঃ জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়নের চারাইলদার গ্রামে বসতবাড়িতে আগুন লেগে অন্তত পক্ষে ৪ টি ঘর আগুনে পুড়ে একেবারে ছাই হয়ে গেছে এবং ২টি ঘর অর্ধেক পুড়ে গেছে বলে জানা গেছে। এতে প্রায় আনুমানিক ৮০ লক্ষ টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী ও ঘটনার সূত্রে জানা গেছে গত ২৭ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬ টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের চারাইদার গ্রামের বাসিন্দা মৃত ইউনুস আলী ৪ছেলে রাসেল, আশরাফ, জসিম ও প্রবাসে থাকা লিমনসহ ৪ভাইয়ের বসতবাড়ির ঘরে আগুন লেগে মূহুর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়াও আমিনুর ইসলাম নামে আরেক জনের ২টি ঘরের অর্ধেক পুড়ে গেছে বলেও জানা গেছে। গত ১ মার্চ সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে চারাইলদার গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী পরিবারের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে রাসেল,আশরাফ, জসিম ও ছোট বোন সুলতানা বেগম জানান, গত ২৭ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমাদের বাড়ীঘরে আগুন লেগে মূহুর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আমরা হতভম্ব হয়ে পড়ি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসতে আসতে একটু দেরী হয় মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এরং আগুনে বাড়ীঘর একেবারে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিছুই ঘর থেকে বের করতে পারি নাই। ঘরের আসবারপত্র, স্বর্ণ অলংকার, নগদ টাকা ও ৪০০/৫০০ মন ধান কৃষি সরঞ্জামাদিসহ আগুনে পুড়ে ৮০ লক্ষাধিক টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেছে। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি বলেও জানা গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করলেও আমাদের বাড়িঘর একেবারেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আমাদের কাছে একমুঠ খাবার পর্যন্ত নেই কোথায় যাবো,কি খাবো বুঝতে পারছি না। যদি সরকারি/ বেসরকারি কোন জরুরি সহযোগিতা পাইতাম তাহলে এই মুহূর্তে অনেক উপকার হতো।৷ আগুন লাগার এবিষয়ে ভোক্তাভোগী পরিবারের লোকজন কে জিজ্ঞেস করলে তারা জানান যে, ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুৎের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ‘বীর মুক্তিযোদ্ধ” আলহাজ্ব কিসমত পাশা ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুব সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার আশরাফ আলী আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতবাড়ী পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা জানান, এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য’দেরকে শান্তনা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও যত দূত সন্ভব সরকারি ও বেসরকারি অর্থ অনুদান দেওয়ার জন্য সরকারও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস,এম আলমগীর জানান,আপনার কাছে বিষয় টি জানলাম, আমি দূত পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
