মেলান্দহের কুলিয়ার টনকী বাজারে ব্যবসায়ীদের উপর সন্ত্রাসী হামলা আহত -২

ষ্টাফ রিপোর্টার জামালপুরঃ জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের টনকী বাজারে কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের কে জোর পূর্বক অবৈধভাবে দোকানপাট উচ্ছেদ করার পায়তারা করে আসছে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতা। এই নিয়ে ইতিপূর্বে বিভিন্ন পএিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও আজ পর্যন্ত কোন প্রকার দলীয় ব্যবস্হা নেয়নি বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা। এইসব কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা কোন প্রকার প্রশাসনিক প্রতিকার বা সহযোগিতাও পায়নি। এক শ্রেণির ভূমি অফিসের দালালদের সহযোগিতায় দাপটে দখলবাজিতে মেতে উঠেছেন এইসব দখলবাজ নেতারা। সরে জমিনে ঘুরে জানা গেছে, দীর্ঘ ৩৪/৩৫ বছর যাবৎ টনকী বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করে আসছিলেন, তারা শেখ, জোয়াদ শেখ, জালাল উদ্দিন মন্ডলসহ আরো অনেকেই। ইতিমধ্যে কয়েকজন ব্যবসায়ীরা ভয়ে আতংকে তাদের ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র চলে গেছে। সম্প্রতি নতুন করে আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে স্হানীয় বিএনপিও যুবদলের নেতারা।
এই নিয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে নতুন করে টনকী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী কুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা তারা শেখ ও জোয়াদ শেখের দোকান পাট জোর করে উচ্ছেদ করতে বলে এ সময় কাঁচামাল ব্যবসায়ী তাদের জায়গা কেন ছাড়তে হবে প্রশ্ন করলে কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ম ও বিএনপির ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে টনকী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী তারা শেখ ও জোয়াদ শেখকে কিল ঘুষি মেরে তাদের কে লান্ঞিত করে এবং তাদের কে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদর্শন করে চলে যায়। আহত তারা শেখ ও জোয়াদ শেখ প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এই বিষয়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক বিএনপির নেতাকে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সততা স্বীকার করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত করে দোষীদের কে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আহবান জানান এলাকাবাসী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের কাছে। এই বিষয়ে
মাসুদ রানার ফোন নাম্বারে বারবার যোগাযোগ করেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে সিরাজুল ইসলাম মেম্বারের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন এখানে মারামারি কোন ঘটনা ঘটেনি, তাঁরা শেখ দোকান করতেছে। এটা দলীয় বিষয় বলে উল্লেখ করেন।
