চেয়ারম্যান হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম জাহানকে দেখতে চায় তৃণমূল বিএনপি ও সাধারণ ভোটাররা

জামালপুর প্রতিনিধি :
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৯নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাবেক সফল ছাত্রনেতা ও উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জাহান বর্তমানে ইউনিয়নের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাঙ্গীর আলম জাহান ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলির পরিচয় দিয়ে আসছেন। রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে একজন মানবিক ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিমত।
ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, হাট-বাজার, চায়ের দোকান, রাস্তার মোড় এবং জনসমাগমস্থলে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছেন। এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের মতামত গ্রহণ করছেন এবং তাদের প্রত্যাশার কথা মনোযোগ সহকারে শুনছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, জাহাঙ্গীর আলম জাহান একজন সহজ-সরল, সৎ ও কর্মীবান্ধব নেতা। যে কোনো প্রয়োজনে তার সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করা যায়। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও বিভিন্ন বিষয়ে তার সহযোগিতা পেয়ে থাকেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে সামাজিক উন্নয়ন, মাদকবিরোধী আন্দোলন, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্তকরণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও তাকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
সাধারণ ভোটারদের অনেকে মনে করেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে জাহাঙ্গীর আলম জাহান ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানার উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম জাহান বলেন, “আমি সবসময় জনগণের সেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকতে চাই। জনগণ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন, তাহলে ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”
তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, রাজনীতিকে তিনি ব্যক্তিস্বার্থের নয়, বরং মানুষের সেবা ও এলাকার উন্নয়নের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখেন। সততা, নেতৃত্বগুণ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে তিনি ধীরে ধীরে ইউনিয়নের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীকে পরিণত হচ্ছেন। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাকে দেখতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এলাকার বিপুল সংখ্যক ভোটার।
