আলোচিতউপজেলার সংবাদজামালপুরমেলান্দহ

মেলান্দহে রৌমারী বিলে অভিযান, ৪০টি চায়না দুয়ারী ও ৫টি কারেন্ট জাল ধ্বংস

মোঃ রুহুল আমিন রাজু,জামালপুর প্রতিনিধি :

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের রৌমারী বিলে মৎস্য সম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিসের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিলের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৪০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা এসব নিষিদ্ধ জাল ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের রৌমারী বিলে মৎস্য সম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা-১৯৮৫-এর আলোকে এ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিলের বিভিন্ন স্থান থেকে আনুমানিক এক লাখ টাকা মূল্যের ৪০টি অবৈধ চায়না দুয়ারী বা রিং জাল এবং ৫টি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা নিষিদ্ধ জালগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে মেলান্দহ উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত ক্ষতিকর ও মৎস্য সম্পদ বিধ্বংসী। এ ধরনের জালে ছোট-বড় মাছের পাশাপাশি রেণু পোনা, জলজ প্রাণীসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নির্বিচারে আটকা পড়ে। ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং মৎস্য সম্পদ বিধ্বংসী। এসব জালে ছোট-বড় মাছের পাশাপাশি রেণু পোনা, জলজ প্রাণীসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নির্বিচারে আটকা পড়ে। ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে

ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রৌমারী বিলসহ উপজেলার বিভিন্ন বিল, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পাবে এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।অদ্য ৯/৯/২৬ খ্রি: তারিখে মেলান্দহ উপজেলার রৌমারি বিলে মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন-১৯৫০ এবং বিধিমাল-১৯৮৫ এর আলোকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকার ৪০ টি অবৈধ চায়না(রিং জাল) এবং ৫ টি কারেন্ট জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত বলেন, রৌমারী বিলসহ উপজেলার বিভিন্ন বিল, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পাবে এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *