জামালপুরের মুকুট বিহীন সম্রাট বিশিষ্ট সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি জানাজা নামাজ ও দাফন সম্পন্ন

মোঃ রুহুল আমিন রাজু জামালপুর প্রতিনিধিঃ অবশেষে জামালপুরের মুকুট বিহীন সম্রাট বিশিষ্ট সাংবাদিক দৈনিক পল্লী কন্ঠ প্রতিদিন পএিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নুরুল হক জঙ্গীর জানাজা নামাজ শেষে তার নিজ বাড়িতে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। সাংবাদিক মোঃ নুরুল হক জঙ্গি গত ২১ ডিসেম্বর সন্ধার পর জামালপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে জরুরি চিকিৎসা না দিয়ে তাঁকে অবহেলা অবস্থায় রেখে দেয় দীর্ঘ সময় জরুরি চিকিৎসা না পেয়ে তিনি চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলায় তিনি মারা যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং পরে তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করেন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এর আগেই সাংবাদিক মোঃ নুরুল হক জঙ্গির মৃত্যু হয়। মৃত্যু কালে তাহার বয়স হয়েছে আনুমানিক ( ৭০)। পরের দিন ২২ ডিসেম্বর তাঁকে কে ফুলের শ্রদ্ধা জানান জামালপুর প্রেসক্লাব ও অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ও বিভিন্ন মহলের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং পরে তার প্রথম জানাজা নামাজ বেলা ১১টার দিকে জামালপুর চামড়া গুদাম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরহুমের লাশ দ্বিতীয় জানাজার উদ্দেশ্য তাঁর নিজ বাড়ি মেলান্দহের নাংলায় নিয়ে যাওয়া হয় পরে তার নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জানাজা পূর্বে তার স্মৃতি চারণে ও শোক প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহ সম্পাদক জামালপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও মেলান্দহ – মাদারগঞ্জের প্রাণ প্রিয় জননেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, তিনি বলেন, জামালপুরের শীর্ষ পএিকা দৈনিক পল্লী কন্ঠ পএিকার সম্পাদক ও প্রকাশক বিশিষ্ট সাংবাদিক নুরুল হক জঙ্গি ছিলেন জামালপুর সাংবাদিকতার মুকুট বিহীন সম্রাট, তিনি এই পএিকাকে সকল পাঠকের কাছে পএিকা পৌঁছে দিয়ে সাফল্য অর্জন করেছিলেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নাই। তিনি ছিলেন আপোষহীন সাংবাদিক। তাঁকে আমরা সবাই দাদা বলেও ডাকতাম, তিনি আমার বন্ধু ছিলেনম। তিনি ১৯৯১ সালে মেলান্দহ – মাদারগঞ্জে এমপি নির্বাচন করেছিলেন এবং সর্বশেষ তিনি নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। আমি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তার পক্ষ থেকে সকলের কাছে তার জীবনে ভুল ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করি ও শোক প্রকাশ করছি মহান আল্লাহ পাক যেন তাঁকে জান্নাত নসীব করেন। আরো শোক প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন মেলান্দহে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেলান্দহ পৌর সভার সাবেক মেয়র হাজী দিদার পাশা, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ারুল কাদির শ্যামল তালুকদার, নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকবারের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা,মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির বিএনপির প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক মেহের উল্লাহ মেহের, মরহুমের বড় ভাই ডাঃ নুরনবী বাদশা ও মরহুমের ভাগিনা রিপন মিয়াসহ বিশিষ্ট গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ শোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। পরে তার জানাজা নামাজ শেষে তার পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত্যু কালে তিনি ২ স্ত্রী ৪ মেয়ে ভাই বোন,নাতনীসহ অসংখ্য গুণ গ্রাহী রেখে যান।
