দীর্ঘ কারাবাস শেষে এড. শামসুল হকের জামালপুরে আগমন
জামালপুর প্রতিনিধি: তথাকথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৬ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এডভোকেট শামসুল হককে আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিল। পরে আপিলে সাজা কমিয়ে ১০ বছর দেওয়া হয়। দীর্ঘ কারাবাস শেষে গত ২১ নভেম্বর কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
আজ ৩১শে ডিসেম্বর সোমবার জামায়াত নেতা এডভোকেট শামসুল হক মহেশপুর রেলগেটের কাছে আসলে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।পরে বিশাল মটর শোভাযাত্রা নিয়ে জামালপুরের দিকে রওনা হয় পথিমধ্যে নান্দিনা বাজারে সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নয়াপাড়া পাঁচ রাস্তায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর জামালপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়াল। তিনি বলেন দীর্ঘ ১১ বছর অন্যায় ভাবে অ্যাডভোকেট শামসুল হককে কারাগারে বন্দী করে রাখে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার। আজ এডভোকেট শামসুল হক আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে কিন্তু স্বৈরাচারী হাসিনা পালিয়ে গেছে ভারতে।
পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি এডভোকেট আছিমুল ইসলাম। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, বাইতুল মাল সেক্রেটারি এডভোকেট ছামিউল হক, ওলাম বিভাগের সেক্রেটারি মাও. কুদরতে খোদা, মিডিয়া ও প্রচার সেক্রেটারি অধ্যাপক জাকির হোসেন, শহর শাখার আমির খন্দকার মুকাদ্দাস আলী, সদর উপজেলা আমীর হাফেজ শরিফ হোসেন, শহর সেক্রেটারি মিসবাহুর রহমান কাউসার, সদর সেক্রেটারি রেজাউল করিম নোমান, শহর সহকারী সেক্রেটারি নাজমুল হক মাসুদ, হাফিজুর রহমান, মেছবাহুল কাইউম, সাংগঠনিক সেক্রেটারি আব্দুর রহমান ওমর সহ জেলা ও শহরের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য আইনজীবী এডভোকেট শামসুল হক একমাত্র ব্যক্তি; যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় কারাবাস পূর্ণ করে মুক্তি পেলেন। ২০১৫ সালে জামালপুর শহরের নিজ বাড়ি থেকে শামসুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই বছরের ২ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তথাকথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে এড. শামসুল হক সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ওইদিন বিকেলে জামালপুরের নয়াপাড়ার বাসা হক মঞ্জিল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন
