ইসলামপুরের বিএনপি পকেট কমিটির দ্বন্দ্বে দ্বিধাবিভক্ত।
জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনে দুই গ্রুপের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন যাবত এমপি মনোনয়ন নিশ্চিতের লড়াই আর দলীয় পদের দখল নিয়ে চলছে চরম দ্বন্দ্ব-কলহ, পাল্টা পাল্টি কর্মসুচী ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ নানা বিশৃঙ্খলা। উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা একই রাজনৈতিক আদ্বর্শের সৈনিক হলেও পকেট কমিটির গ্যারাকলেই তারা দ্বিধাবিভক্ত। তারা ইসলামপুর উপজেলা শহরে পৃথক পৃথক দলীয় কার্যালয় খুলেছেন। দুই গ্রুপের কেউ কারো কার্যালয়ে যাননা, কেউ কাউকে মানতে চাননা এবং কেউ কাউকে সহ্যও করতে পারে না।
ইসলামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের এক পক্ষে নেতৃত্বে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এএসএম আব্দুল হালিম। অপর পক্ষে নেতৃত্বে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু। উভয় গ্রুপই ইসলামপুর উপজেলা ও পৌর কমিটিসহ উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে পৃথক পৃথক কমিটি গঠন করে স্বস্ব গ্রুপের রাজনৈতিক কর্মসুচী বাস্তবায়ন করে চলেছেন।
সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব বিগত ওয়ান ইলেভেন সরকারের আগে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ গ্রহণ করেন। তখন থেকেই তিনি জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনের এমপি প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আরপিও সংশোধনীর বেড়াজালে পড়ে তখন এএসএম আব্দুল হালিম বিএনপি থেকে এমপি প্রার্থী হতে পারেননি। অপরদিকে বিএনপির তথাকথিত সংস্কার পন্থি গ্রুপের নেতা হয়েও সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু আবারো বিএনপির এমপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পান। তবে ওই সময় সুলতান মাহমুদ বাবু এমপি মনোনয়ন পেলেও তিনি এএসএম আব্দুল হালিমকে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসাবে একদিনের জন্যও মেনে নিতে পারেন নাই। তিনি এএসএম আব্দুল হালিমকে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে একটা বড় ধরণের ঝামেলা মনে করেছেন। তখন থেকেই সুলতান মাহমুূদ বাবু নানা ষড়যন্ত্র করে আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে এলকায় কয়েক দফা মিছিল ও সমাবেশ করেন। অত:পর দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করে এএসএম আব্দুল হালিমকে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেন। এতে সুলতান মাহমুদ বাবু নিজেই আবারো ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বনে যান। এছাড়াও সুলতান মাহমুদ বাবু একই ধারাবাহিকতায় দলীয় স্বার্থ রক্ষার ভিত্তিহীন অভিযোগে ইসলামপুর পৌর বিএনপির কমিটিও ভেঙ্গে দেন। ওই সময় এএসএম আব্দুল হালিমের আস্থাভাজন ও পৌর বিএনপির অত্যান্ত জনপ্রিয় নেতা জয়নাল আবেদীন সরকারকে বাদ দিয়ে আওয়ামীলীগের সাথে আঁতাতকারী জনবিচ্ছিন্ন নেতা রেজাউল করিম ঢালীকে সভাপতি বানিয়ে ইসলামপুর পৌর বিএনপিরও একটি পকেট কমিটি অনুমোদন করিয়ে নেন।
এতদসত্বেও বিগত ওয়ান ইলেভেন সরকারের শেষ পর্যায়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুলতান মাহমুদ বাবুর মারাত্নক ভরাডুবি হয়। ওই নির্বাচনের পরদিনই তিনি দলীয় নেতা- কর্মীদের সাথে কোন প্রকার আলোচনা না করে এবং কোন প্রকার সান্তনা না দিয়েই ইসলামপুর ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। তখন থেকেই সুলতান মাহমুদ বাবু ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসরদের সাথে হাত মিলিয়ে ঢাকায় অবস্থান করে ব্যবসা বাণিজ্য নিয়েই ব্যাস্ত সময় পার করেন। এরই এক পর্যায়ে ২০১৮ সনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নামমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে হেরে গিয়ে দলীয় কর্মীদের ফেলে আবারো ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকে সুলতান মাহমুদ বাবু ফ্যাসিবাদীদের জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইসলামপুরের মাটিতে বিএনপির পক্ষে আর কোন প্রকার কর্মসুচী পালন করেন নাই এবং তিনি কখনোই ফ্যাসিষ্ট সরকারের কোন বাঁধার সম্মুখীন হন নাই। এমনকি ঢাকায় অবস্থান করেও তিনি বিএনপির কোন কেন্দ্রীয় কর্মসুচীতে অংশ গ্রহণ করেন নাই। এসব কারণেই ফ্যাসিাদীরাও দীর্ঘ ১৫ বছরে সুলতান মাহমুদ বাবুর বিরুদ্ধে দেশের কোথাও কোন প্রকার মামলা দায়ের দায়ের করে নাই এবং পুলিশ কোনদিনই তাকে খোঁজেনি।
এদিকে সুলতান মাহমুদ বাবু দীর্ঘদিন দলীয় কার্যক্রমে নিস্কৃিয় থাকলেও বিগত ৫ আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর থেকে তিনি ইসলামপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপির তৎকালীন পকেট কমিটির নেতাদের সাথে নিয়ে রাজনীতির মাঠে আবারো সরব হয়ে উঠেছেন। সম্প্রতি তারা বিএনপির বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসুচী পালনসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি গুলোতে আবারো নতুন করে পকেট কমিটি গঠনের ধান্ধায় নেমে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। এসব পকেট কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের ধান্দা করে ফ্যাসিষ্ট সরকারের দোসরদের পূন:র্বাসনের কাজটাও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিচ্ছেন বলেও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একাধিক সুত্রে জানাগেছে।
ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির তিনবারের সফল সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানী বিপুল জানান, সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ফ্যাসিষ্ট সরকারের শুরু থেকেই ফ্যাসিবাদীদের সাথে হাত মিলিয়ে ঢাকায় অবস্থান করে দীর্ঘদিন নিজের ব্যাবসা বাণিজ্য নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করেছেন। ফ্যাসিষ্ট সরকারের দীর্ঘ ১৫ বছর সময় কালে ফ্যাসিবাদীদের বিরুদ্ধে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত কোন প্রকার কর্মসুচীতে সুলতান মাহমুদ বাবু ইসলামপুরের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কোনদিনই অংশ গ্রহণ করেন নাই। এজন্যই ফ্যাসিবাদীরা তার বিরুদ্ধে কোন মামলাও দায়ের করেনি। অপরদিকে সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এএসএম আব্দুল হালিম ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় ফ্যাসিষ্ট সরকারের রোষানলে পড়েন। এজন্য তিনি ফ্যাসিবাদীদের ষড়যন্ত্রমূলক ১৪টি মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে আজও নানা দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এতদসত্বেও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের সিংভাগ নেতাকর্মীরা সুলতান মাহমুদ বাবুর ফ্যাসিষ্ট তোষমোদী কর্মকান্ডে ক্ষিপ্ত হলেও এএসএম আব্দুল হালিম নিজ দলীয় নেতাদের শান্ত রেখেছেন। তিনি ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সিংহভাগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত প্রতিটি কর্মসুচী নিজ এলাকায় পালন করে চলেছেন। এএসএম আব্দুল হালিম জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকায় ফ্যাসিষ্ট সরকারের রোষানলে পড়েন। তিনি ফ্যাসিবাদীদের ষড়যন্ত্রমূলক ১৪টি মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে আজও নানা দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
ইসলামপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন সরকার জানান, বিগত দিনে চারদলীয় জোট সরকার আমলে সুলতান মাহমুদ বাবু বিএনপির প্রার্থী হয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই সময় তিনি ক্ষমতার দম্ভে বিএনপি সহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গও সহযেগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা কর্মীদের সাথে সীমাহিন দুর্ব্যাবহার করেছেন। তিনি এমপি থাকা কালে তার নিকট আত্নীয়রা ছাড়া দলের কোন নেতা- কর্মীরা তার কাছে কোন প্রকার সহযোগীতা পায়নি। অপরদিকে বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পকেট কমিটি করার সময় নিজ দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ইসলামপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভুক্তির জন্য প্রধান শিক্ষকদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও
িবিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি চাকুরী প্রার্থীদের নিকট থেকেও লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন।
ইসলামপুরের সাপধরী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান চৌধুরী জাইসলামপুরের বিএনপি পকেট কমিটির দ্বন্দ্বে দ্বিধাবিভক্ত। জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনে দুই গ্রুপের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন যাবত এমপি মনোনয়ন নিশ্চিতের লড়াই আর দলীয় পদের দখল নিয়ে চলছে চরম দ্বন্দ্ব-কলহ, পাল্টা পাল্টি কর্মসুচী ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ নানা বিশৃঙ্খলা। উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা একই রাজনৈতিক আদ্বর্শের সৈনিক হলেও পকেট কমিটির গ্যারাকলেই তারা দ্বিধাবিভক্ত। তারা ইসলামপুর উপজেলা শহরে পৃথক পৃথক দলীয় কার্যালয় খুলেছেন। দুই গ্রুপের কেউ কারো কার্যালয়ে যাননা, কেউ কাউকে মানতে চাননা এবং কেউ কাউকে সহ্যও করতে পারে না।
ইসলামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের এক পক্ষে নেতৃত্বে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক মন্ত্রীপরিষদ সচিব ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এএসএম আব্দুল হালিম। অপর পক্ষে নেতৃত্বে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নান, সাবেক এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু ক্ষমতায় থাকা কালে ক্ষমতার দম্ভে সকল ক্ষেত্রে শুধু আত্নীয়করণ নীতিতে থাকায় দলের অসংখ্য ত্যাগী নেতা- কর্মীদের সাথে চরম দূর্ব্যবহার করেছেন। তিনি ক্ষমতায় থাকা কালে ইসলামপুরের গ্রামীণ উন্নয়নে বরাদ্দকৃত সরকারী টিআর প্রকল্পের ৩৫৪ মেট্রিক টন চাল এবং ৭০ মেট্রিক টন খয়রাতি চাল আত্নসাত করেছিলেন যাহা ওই সময় দৈনিক সংবাদ সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। সুলতান মাহমুদ বাবুর বিরুদ্ধে ইসলামপুরের বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার চাকুরী প্রার্থীদের নিকট থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সুলতান মাহমুদ বাবুর বিরুদ্ধে বিএনপির তথাকথিত সংস্কার পন্থী গ্রুপে নেতৃত্ব দানের অভিযোগ রয়েছে যাহা তৎকালে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে।
ইসলামপুর উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ প্রধান জানান, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব এএসএম আব্দুল হালিম ফ্যাসিষ্ট সরকারের ১৪টি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার বোঝা কাঁধে নিয়ে সার্বক্ষনিক ইসলামপুর ও কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে চলেছেন। এএসএম আব্দুল হালিম ইসলামপুর তথা বৃহত্তর ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান এবং তিনি তার শিশুকাল থেকে দীর্ঘদিনের চাকুরী ও রাজনৈতিক জীবদ্দশায় সুশিক্ষা, সততা, দক্ষতা ও ন্যায় নিষ্ঠতার অসংখ্য পরীক্ষায় পরীক্ষিত একজন সজ্জন ব্যাক্তি। তার জীবনে কোন কলঙ্কের ছাপ নেই।
ইসলামপুর পৌর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মনিরুল করিম জানান, বর্তমানে এএসএম আব্দুল হালিমকে ঘিরেই ইসলামপুর উপজেলা বিএনপি সিংহভাগ নেতাকর্মীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। ইসলামপুর উপজেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সিংহভাগ নেতা কর্মীরা আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পূর্বের ধারাহিকতায় সাম্প্রতিক শীত মৌসুমেও উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার সবকটি ওয়ার্ডের শীতার্তদের মাঝে তিন দফায় অন্তত: ৫ হাজার শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নিয়মিত দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছেন।
সর্বোপরি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশিত মেরিটোক্রেসির ভিত্তিতে নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে জামালপুর- ২ ইসলামপুর আসনের সম্ভাব্য বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে এএসএম আব্দুল হালিম সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য নেতা বলেই অকপটে স্বিকার করছেন ইসলামপুরের ১২টি ইউনিয়নের সিংহভাগ নেতাকর্মী ও সচেতন জনতা। বর্তমানে ইসলামপুরের সিংহভাগ বিএনপি নেতা কর্মীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্লোগান হয়েছে, সুশিক্ষিত, মেধাবী, সৎ, যোগ্য ও ন্যায়পরায়ন দেখে পক্ষ নিন, হালিম ভাইয়ের স
