মেলান্দহের নলকুড়িতে প্রতিপক্ষের হামলার অভিযোগ: কলেজছাত্রীসহ একই পরিবারের ৪ জন আহত

জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নলকুড়ি পশ্চিমপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় কলেজছাত্রীসহ একই পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন— আঃ মান্নান, তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম, মেলান্দহ মহিলা কলেজের ছাত্রী মীম এবং ছেলে মাজহারুল ইসলাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আঃ মান্নানের একটি গরু গোয়ালঘর থেকে বের হয়ে পাশের একটি শসা ক্ষেতে প্রবেশ করে কয়েকটি গাছের পাতা খায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছক্কু নামের এক ব্যক্তি গরুটিকে মারধর করেন। বিষয়টি নিয়ে আঃ মান্নান প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে যান।
এর কিছুক্ষণ পর ছক্কু, ইউসুফ, আলতাফুর, মারুফ, নয়ন, বেদনা বেগম, হেবু, হানী ও হোসেনসহ ১৫-১৬ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আঃ মান্নানের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলাকারীরা বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে আঃ মান্নান, তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম, কলেজছাত্রী মীম এবং ছেলে মাজহারুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আহতদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবারটির দাবি।
এ সময় হামলাকারীরা ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় আঃ মান্নান বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জ্যোতির্ময় চন্দ্র মিশু বলেন, “ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
