জামালপুর পৌরসভার তিরুথা-কালাবহ সড়কটি খানাখন্দেপূর্ণ বিরম্বনার শিকার যাত্রী পথচারীরা
জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুর পৌরসভার তিরুথা বটতলা বাজার থেকে স্লুইস গেট হয়ে কেন্দুয়া ইউনিয়নের কালাবহ পর্ড়ন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার বিধ্বস্ত সড়কটি খানাখন্দেপূর্ণ। এ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময় দুর্ঘটনার শিকার হন অসহায় যাত্রী, পথচারীরা।
জানা যায়, এরশাদ সরকারের শাসনামলে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে ইটের সলিং করার পর গত ৩৩ বছরে কোনো জনপ্রতিনিধি এদিকে আর ফিরেও তাকায়নি। তবে নির্বাচনী মৌসুমে বসন্তের কোকিলের মতো ভোট চাইতে এসে সড়কটি কার্পেটিং করে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সেই যে উড়ে যায় আর ফিরেও তাকায় না বলেই কাজের কাজ কিছুই হয়না। দীর্ঘদিন থেকে তিরুথা-কালাবহ এ দুই কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দেপূর্ণ থাকায় এ সড়কে চলাচলকারী স্কুল-কলেছের ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষ নানা সময়ে চরম সমস্যায় পড়েন। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য এবং অসুস্থ রোগীদের সময়মত নিতে পারেন না গন্তব্য স্থলে।
এবারো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ কথা দিয়েছেন তিনি এমপি নির্বাচিত হলে এ সড়কসহ সদর উপজেলার প্রতিটি কাঁচা সড়ক পাকা করে দিবেন। তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। মানুষ এবারো আশায় বুক বেঁধেছেন তাদের সুদীর্ঘ বঞ্চনার অবসান হবে। আবার অনেকেই ভাবছেন অন্য কথা। জনপ্রতিনিধিদের দেয়া আশ্বাসের বানী পূর্বের ন্যায় ইটের সলিং এর চাপায় পড়ে যায় কিনা। এর পরেও এ এলাকাবাসীর বিশ্বাস এবার বিধ্বস্ত সড়কটি মেরামত হবে।
তিরুথা এলাকায় বসবাসকারী মাসবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, নানা সময়ে সরকার আসে সরকার যায়, ভোট নিয়ে চেয়ারম্যান, মেম্বার, এমপি, মন্ত্রী হয় আমাদের বরেণ্য নেতারা। শুধু দুর্ভাগ্য আর চরম দুর্ভোগের যন্ত্রণা নিয়ে বসবাস করে জামালপুর সদর উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত এলাকার হতভাগ্য মানুষজন এবং বিধ্বস্ত খানাখন্দেপূর্ণ প্রধান সড়ক কিংবা সরু সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষ আর যানবাহনের যাত্রীরা। এর অবসান দ্রুত সময়ে হবে বলে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তাব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
