জমি নিয়ে বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা,মারধর উচ্ছেদ গৃহহীন এক পরিবার

জামালপুর প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের দাউতকুড়া গ্রামে জমি নিয়ে পুর্ব বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাংচুর, মারধর বসতভিটা থেকে ঘর ভেঙে উচ্ছেদ করাসহ গৃহহীন করেছে ঐ পরিবার কে এমন অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মমিন, অমেজ উদ্দিন গংদের বিরুদ্ধে।
গত (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা দিকে উপজেলার দাউদকুড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী, মোছাঃ ফরিদা বেগম (৪৭)
ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী।
অভিযুক্তরা হলেন, ওই এলাকার মৃত খইবরের ছেলে মোঃ মমিন (৩৭) অমেজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ হেলাল (৩৬), মোঃ মিন্টু মিয়া (৩৬) মৃত বছর উদ্দিন মন্ডলের ছেলে অমেজ উদ্দিন ও মৃত শাহ আলমের স্ত্রী মোছাঃ রিক্তা বেগম (৩৫)
এ ঘটনায় মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ফরিদার বোন ঢাকায় বসবাস করার কারণে সে তার ঘরে বসবাস করে। অভিযুক্তরা পাশেই বাড়ীতে থাকেন।
আগে থেকেই জমি নিয়ে অভিযুক্তদের সাথে তার বিরোধ চলতেছিল। এরই জের ধরে তারা ফরিদাসহ তার পরিবারকে মারধর করার জন্য পায়তারা করতেছিল।
এমতাবস্থায় গত (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা দিকে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে হামলা চালায়। বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করে হত্যার চেস্টা করে।
এবং ঘরে থাকা পচিশ হাজার টাকা এবং ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। একর্যায়ে অভিযুক্তরা তার চৌচালা ঘরের চাল সহ ঘরের খুঁটি ও বেড়া খুলে ভাংচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি সাধণ করে।
ঐ অবস্থায় তার পড়নে থাকা কাপড় ধরে টানাহেচড়া করে শ্লীলতাহানীর চেস্টা করে। এবং আসামীগণ তার ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। পরে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে এ বিষয় কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় মেলান্দহ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেই ভুক্তভোগী ফরিদা বেগম নামে ওই নারী। পরে ফরিদা বেগম প্রথম মেলান্দহ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ চলে যাওয়ার পরে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদা নামে ঐ মহিলা কে আবারো দ্বিতীয় দফায় তাঁকে মারধোর করে। পরে এই বিষয়ে মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদুজ্জামান কে জানালে তিনি দ্বিতীয় দফায় মেলান্দহ থানার এসআই হিমন কে ঘটনাস্থলে তদন্তে পাঠান। এই বিষয়ে এস আই হিমন জানান গত ১৬ নভেম্বর শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে বলে জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নিতে তাদের বাড়িতে গেলে কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
