উপজেলার সংবাদজামালপুরমেলান্দহ

নাংলা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডির চাল বিতরণ

মো. রুহুল আমিন রাজু, জামালপুর প্রতিনিধি:

“সবার আগে বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাদ্য অধিদপ্তরের ভিজিডি (VGD) কর্মসূচির আওতায় জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদে দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ভিজিডির চাল বিতরণ করা হয়েছে।

“সবার আগে বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খাদ্য অধিদপ্তরের ভিজিডি (VGD) কর্মসূচির আওতায় জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৪নং নাংলা ইউনিয়ন পরিষদে দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ভিজিডির চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নাংলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের ২৭০ জন উপকারভোগীর প্রত্যেকের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা।

চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আশরাফ আলী মেম্বার এবং মেলান্দহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জেন্ডার প্রমোটর ও বাল্যবিবাহ নিরোধ প্রকল্পের প্রতিনিধি জান্নাত সুমি।

অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা বলেন, “কেউ যেন না খেয়ে থাকে, সেই লক্ষ্য নিয়েই সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভিজিডি কর্মসূচি দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের মানবিক উদ্যোগের সুফল আজ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা বলেন, “কেউ যেন না খেয়ে থাকে—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভিজিডি কর্মসূচি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের মানবিক উদ্যোগের সুফল আজ সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।”

উপকারভোগীরা সময়মতো সরকারি খাদ্য সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

সুশৃঙ্খল পরিবেশে স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *