উপজেলার সংবাদজাতীয়জামালপুরসদর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জামালপুরে ১১ দলের গণমিছিল

জামালপুর শহর প্রতিনিধি:

১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জামালপুর জেলা শাখার আমীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, আজকের দিনে শেকের বেটি পালায় না খ্যাত’ ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচার শাসক হাসিনা, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ভয় পেয়ে জীবন বাঁচাতে কার্গো বিমানে করে বাংলাদেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পলায়ন করেছিলেন। আজও যদি কেউ স্বৈরাচার হইতে চায় তাদের পরিণতীও একই হবে।

বিএনপি গণভোটের জনরায় বাস্তবায়ন না করে ৭০ শতাংশ মানুষের প্রদত্ত রায়কে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করছে। এই দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে
গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ৫ আগস্ট বুধবার বিকেলে ১১ দলীয় ঐক্যের জামালপুর সদর ও শহরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত গণমিছিল পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণমিছিলটি পিটিআই মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে তমাল তলায় গিয়ে শেষ হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জামালপুর শহর আমীর অধ্যাপক আল ইমরান সুজন এর সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা সেক্রেটারী রেজাউল করিম নোমান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ১১ দলীয় ঐক্যৈর জামালপুর জেলার সদস্য সচিব ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এডভোকেট আব্দুল আওয়াল, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল হক জামালী, এনসিপির সদর উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক আরাফাত হোসেন শাকিল, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা কুদরতে খোদা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জামালপুর জেলা সেক্রেটারি মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলীম, সদর উপজেলার আমীর মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম, সদর উপজেলার নায়েবে আমীর মাওলানা আজহারুল ইসলাম, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল রহমান ওমর, এবি পার্টির সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান সবুজ, এনসিপির জেলা সহ সমন্বয়ক শাহ খলিলুর রহমান। ইসলামী ছাত্রশিবির জেলা অর্থ সম্পাদক শামস উদ্দিন সোলাইমান, ৪ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি খন্দকার ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ।

গণমিছিল ও সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও ১১ দলের অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

সভায় বক্তাগণ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলার মানুষ কি পরিমান খুশি হয়েছিল, এখন আছে কিনা এটি আমাদের বেদনা। আমরা আশা করেছিলাম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া
গণভোটের জনরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *