জামালপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের উদ্যোগে গম ও ভুট্টা ফসলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচি প্রণয়নের উপর দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিনিধি:
মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট জামালপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের উদ্যোগে গম ও ভুট্টা ফসলের আঞ্চলিক গবেষণা-সম্প্রসারণ পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি প্রণয়নের উপর দিনব্যাপী এক কর্মশালা স্থানীয় আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুরের পরিচালক ডঃ মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম।
জামালপুর গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বিজ্ঞানী কর্মকর্তা ডঃ মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুরের পরিচালক ডঃ মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড: তৌফিক আহমদ খান, জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডঃ মুহাম্মদ রজব আলী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামালপুর গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডঃ মুহাম্মদ মোখলেসুর রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাআকাশ আহমেদ খান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাহনিন বিনতে জামান মৌ প্রমুখ।
কর্মশালায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে গম উৎপাদনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে শীতকালীন ফসল গমের উৎপাদন ও ফলনে এর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাপসহিষ্ণু জাত উদ্ভাবন, উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ ও কৃষকদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।
বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে গম উৎপাদনকারী প্রধান অঞ্চলগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। এতে শীতকালীন ফসল বিশেষ করে গমের ফলন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা নিয়মিত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য উন্নত জাত, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম ফসলের জাত উদ্ভাবনে কাজ করা হচ্ছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুরের পরিচালক ড. মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম বলেন, ‘২০৫০ সালের পর বিশ্বব্যাপী গম উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্রগুলো শিফট হতে পারে। কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি শীতকালীন ফসলের জন্য বড় প্রতিবন্ধক। আমরা তাপসহিষ্ণু জাত ও উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছি, যাতে দেশের কৃষকরা লাভজনক ফসল উৎপাদন করতে পারেন এবং খাদ্য নিরাপত্তা বজায় থাকে।’
করেন।
কর্মশালায় ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ, বিএডিসি, ওয়াল্ডভিশন, কৃষক ও মিডিয়া কর্মীসহ প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি অংশ গ্রহণ করেন।
