মাদারগঞ্জে ক্লুলেস হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এএসপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের সম্মাননা
মোঃ রুহুল আমিন রাজু, জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের মাদারগঞ্জে আলোচিত ক্লুলেস রূপসী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং মামলার মূল আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি শ্নেহাশীষ রায়সহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।
জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি তদন্ত কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, আন্তরিকতা ও দ্রুততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা করেন।
পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রূপসী হত্যা মামলাটি শুরুতে ছিল অনেকটাই ক্লুলেস। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ সদস্যরা তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিভিন্ন দিক যাচাইসহ ধারাবাহিকভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে মামলার মূল আসামিকে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় তদন্তকারী ও অভিযানে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের বিষয়টি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, “জটিল ও ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও নিরলস প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়; জনগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এমন দায়িত্বশীল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “রূপসী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও মূল আসামিকে গ্রেপ্তারে টিমের প্রত্যেক সদস্য আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন; এই পুরস্কার আমাদের ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।”
পুলিশের এমন দ্রুত ও দক্ষ তদন্ত কার্যক্রমে একটি ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং মূল আসামিকে আইনের আওতায় আনার বিষয়টি মাদারগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের সক্রিয়তা ও পেশাদারিত্বের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
