তৃণমূলের আস্থার প্রতীক গোলাম হাফিজ নাহিন, গণমানুষের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মেলান্দহবাসী
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার রাজনীতিতে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থার নাম সাবেক সফল কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদল নেতা, বর্তমানে মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম হাফিজ নাহিন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকা এই নেতা মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যেই গণমানুষের নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি একজন সৎ, সাহসী, কর্মীবান্ধব ও মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিত। দলীয় নেতাকর্মীদের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে থাকা গোলাম হাফিজ নাহিন বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি হয়েছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে যুবরাজনীতির প্রতিটি ধাপে গোলাম হাফিজ নাহিন সাহসিকতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে তিনি রাজপথে থেকে দলের নেতাকর্মীদের সাহস যুগিয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, হামলা-মামলা ও নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেও তিনি দল ও মানুষের পাশে ছিলেন সবসময়।
স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, গোলাম হাফিজ নাহিন একজন সাদামাটা জীবনযাপনে বিশ্বাসী নেতা। তিনি ক্ষমতার জন্য নয়, বরং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা নিয়ে রাজনীতি করেন। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী মানুষ ও তরুণ সমাজের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এলাকার শিক্ষা, বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদক নির্মূল, সামাজিক সম্প্রীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে গোলাম হাফিজ নাহিন আগামী দিনের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাকে পুঁজি করে তিনি মেলান্দহ উপজেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান।
এদিকে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গোলাম হাফিজ নাহিনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। তাঁদের বিশ্বাস, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি ভবিষ্যতে মেলান্দহ উপজেলার উন্নয়ন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণমানুষের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
